মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রাশক্ষণের বিস্তারিত

যে কোন দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে সে দেশের কর্মক্ষম জনশক্তি। আর এ জনশক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে সে দেশের যুবসমাজ। যুব সমাজই উন্নয়নের চালিকা শক্তি। সম্ভাবনাময় এ যুবশক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে দেশ ধাপে ধাপে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ বিপুল যুব শক্তি ও ঐশ্বর্যের অধিকারী। মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ যুব। জাতীয় যুব নীতিমালা অনুসারে ১৫-৩৫ বছর বয়সীদেরকে যুব বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়। যুব সমাজকে সুসংগঠিত ও সুশৃংখল করে সঠিক পথে নিয়ে যাওয়া তথা জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাদেরকে সম্পৃক্তকরণের গুরুদায়িত্ব নিয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
     কর্মপ্রত্যাশী অনুৎপাদনশীল যুবসমাজকে সুসংগঠিত, সুশৃংখল এবং উৎপাদনমুখী শক্তিতে রুপান্তরের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরাকার ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করে যা পরবর্তীতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয় । সে অনুযায়ী চাঁদপুর জেলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যাক্রম শুরু হয় ১৯৯৬ সাল থেকে ।
সুতরাং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যবন্টন অনুযায়ী, যুবসমাজকে মানব সম্পদে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপর নি¤œবর্ণিত কার্যাদি অর্পিত হয়েছে ঃ

 বেকার যুবদের দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী।    
 প্রশিক্ষিত যুবদের আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচী ।    
 ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচী।        
 দারিদ্র্য বিমোচন ঋণ কর্মসূচি।
 কর্মসংস্থানের ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদারকরণ কর্মসূচি।
 বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উদ্ধুদ্ধকরণ ও সচেতনতাবৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি।
 ইনোভেটিভ ম্যানেজমেন্ট অব রিসোর্সেস ফর পোভারটি এলিভিয়েশন থ্রু কম্প্রিহেনসিভ টেকনোলজি।
 জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবসসহ বিভিন্ন  দিবস পালন কার্যক্রম।
 যুব সংগঠন তালিকাভূক্তিকরণ ও অনুদান কর্মসূচি।
 উন্নয়নমূলক কাজে যুবদের স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।    
 যুবদের সফলতার স্বীকৃতি স্বরুপ যুব পুরুস্কার প্রদান কার্যক্রম।
 যুবদেরকে দায়িত্বশীল, আত্মবিশ্বাসী এবং অন্যান্য মানবিক গুণাবলী অর্জনে উৎসাহ প্রদানের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ।    
 পরিবেশ উন্নয়ন ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি।
  যুব সমাবেশ, কর্মশালা, সিম্পোজিয়াম ও সেমিনার কার্যক্রম।
 ক্রীড়া, সংস্কৃতিক কার্যক্রম ও গবেষণা কার্যক্রম।
 প্রশিক্ষিত যুবদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য উপকরণ সরবারহ কর্মসূচী।
 সরকারী বেসরকারী পার্টনারশিপ কর্মসূচি।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের লক্ষ্য

     জেলার অনুৎপাদনশীল যুব সমাজকে সুসংগঠিত ও সুশৃংখল এবং উৎপাদনমুখী শক্তিতে রূপান্তর করা।
     দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে যুবদের কর্মসংস্থান কিংবা স্ব- কর্মসংস্থানে নিয়োজিত করা।
     জাতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডে বেকার যুবদের সম্পৃক্ত করা।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উদ্দেশ্য

    জেলার যুবমাজকে উদ্ধুকরণ, প্রশিক্ষণ, যুব ঋণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তার মাধ্যমে যুবদের কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত করাসহ দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ার প্রতিটি স্তরে তাদের সম্পৃক্ত করা।
    বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী যুবসংঘঠনের মাধ্যমে গোষ্টি উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য যুবদের বিভিন্ন গ্রুপে সংগঠিত করা।
    স্থানীয় পর্যায়ে যুবসংগঠনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা এবং অংশগ্রহনমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা ।
    যুবদের গনশিক্ষা কার্যক্রম, দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা, প্রজনন স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, পরিবেশ উন্নয়ন, সম্পদ সংরক্ষন ইত্যাদি আর্থ-সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্তকরণ এবং সমাজবিরোধী কার্যকলাপ, জেন্ডার বৈসম্য, নারীনির্যাতন ও ইভটিজিং, মাদক দ্রব্যের অপব্যাবহার , জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, এইচআইভি/এইডস এবং এসটিডি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা ।
    যুবদের ক্ষমতায়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহনমূলক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগদানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
    
১. বেকার যুবদের দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, চাঁদপুর জেলায় দুইধরণের কর্মসূচি চালু আছে । যথা:-
        (ক) প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি        (খ) অ-প্রাতিষ্ঠানিক/ভ্রম্যমাণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আবাসিক ও অনাবাসিক এ দুই  ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। অ-প্রাতিষ্ঠানিক/ভ্রম্যমাণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন ট্রেডে প্রদান করা হয়।
ক.  প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

        প্রতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তিনভাগে বিভক্ত,  সেগুলো হলো -
১। যুব প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচি
২। বেকার যুবদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
৩। যুব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
ঃ প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময় ও নিয়মনীতি ঃ
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির
নাম    প্রশিক্ষণ ট্রেডের নাম    প্রশিক্ষণের মেয়াদ    কোর্স শুরুর সময়    প্রশিক্ষণ প্রাপ্তির
নূন্যতম শিক্ষাগত
যোগ্যতা ও বয়ষ    প্রতি ব্যাচে
প্রশিক্ষণার্থীর
সংখ্যা    কোর্স ফি ও জমানতের পরিমান    আবেদনপত্র গ্রহণের সময়     আবেদনপত্র  জমার  স্থান ও প্রশিক্ষণের ধরন
যুব প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচি    পোষাক তৈরী প্রশিক্ষণ কোর্স    ০৩ মাস
০৩ মাস ও
০৬ মাস    ১ম ব্যাচ: জুলাই-সেপ্টম্বর
২য় ব্যাচ: অক্টোবর-ডিসেম্বর
৩য় ব্যাচ: জানুয়ারী-জুন    ৮ম শ্রেণী/সমমান এবং
১৮-৩৫ বৎসর বয়ষের
যুবক ও যুবমহিলাগণ    ৩০ জন    কোর্স ফি-৫০/-
জামানত নেই    প্রতি বৎসরের: জুন, সেপ্টম্বর, ডিসেম্বর ও জুলাই মাসে।    অনাবাসিক
উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ভবন, আশিকাটি, চাঁদপুর।
    মৎস চাষ প্রশিক্ষণ কোর্স    ০১ মাস    প্রতিমাসের প্রথম দিন হতে    ঐ        কোর্স ফি-৫০/-
জামানত নেই    
প্রতিমাসে     ঐ
বেকার যুবদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি    কম্পিউটার বেসিক কোর্স      ০৬ মাস    ১ম ব্যাচ: জুলাই-ডিসেম্বর
২য় ব্যাচ: জানুয়ারী-জুন    এইচ.এস.সি/সমমান এবং
১৮-৩৫ বৎসর বয়ষের
যুবক ও যুবমহিলাগণ    ৪০ জন    কোর্স ফি-১,০০০/-
জামানত নেই    প্রতি বৎসরের:
জুন ও ডিসেম্বর    ঐ
    ফ্রি ল্যান্সিং/আউটসোর্সিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ    ১৫ দিন    কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক    ঐ    ২৫ জন    কোর্স ফি-৩,০০০/-
জামানত নেই    কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক    ঐ
    ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজওয়্যারিং কোর্স    ঐ    ঐ    ঐ    ৩০ জন    কোর্স ফি-৩০০/-
জামানত নেই    ঐ    ঐ
    ইলেকট্রনিক্স প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ    ঐ    ঐ    ৩০ জন    ঐ    ঐ    ঐ
    রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার-কন্ডিশনিং কোর্স।    ঐ    ঐ    ঐ    ৩০ জন    ঐ    ঐ    ঐ
যুব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি    গবাদিপশু, হাঁস-মুরগী পালন, প্রাথমিক চিকিৎসা, মৎস চাষ ও কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ।    ২ মাস ১৫দিন    ১ম ব্যাচ: জুলাই-সেপ্টম্বর
২য় ব্যাচ: অক্টোবর-ডিসেম্বর
৩য় ব্যাচ: জানুয়ারি-মার্চ
৪র্থ ব্যাচ: এপ্রিল-জুন    ৮ম শ্রেণী/সমমান এবং
১৮-৩৫ বৎসর বয়ষের
যুবক ও যুবমহিলাগণ    ৬০ জন    কোর্স-১০০/- টাকা এবং  জামানত ১০০/- টাকা  (ফেরত যোগ্য)
    প্রতি বৎসরের: জুন, সেপ্টম্বর, ডিসেম্বর ও মার্চ মাসে।    আবাসিক, অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে মাসিক ১২০০/- টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়।
বাস্তবায়নে যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যুব ভবন, আশিকাটি, চাঁদপুর।
    দুগ্নবতী গাভী পালন ও গরু মোটাতাজাকরণ প্রশিক্ষণ কোর্স    ০১ মাস        ঐ        ভর্তি  র্ফি-১০০/- টাকা    কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক    ঐ
    মুরগী পালন ব্যবস্থাপনা এবং বার্ড-ফ্লু প্রতিরোধ ও জীব নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা কোর্স।    ০১ মাস        ঐ        ভর্তি  র্ফি-১০০/- টাকা    ঐ    ঐ
    বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিভিন্ন ফুল ও সবজি চাষ, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কোর্স ।    ০১ মাস        ঐ        ভর্তি  র্ফি-১০০/- টাকা    ঐ    ঐ
    ফুড প্রসেসিং প্রশিক্ষণ কোর্স ।    ০১ মাস        ঐ        ভর্তি  র্ফি-১০০/- টাকা    ঐ    ঐ
    বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন প্রশিক্ষণ কোর্স ।    ০১ মাস        ঐ        ভর্তি  র্ফি-১০০/- টাকা    ঐ    ঐ
    নার্সি, ফল গাছের বংশ বিস্তার এবং ফল বাগান তৈরী ও ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কোর্স ।    ০১ মাস        ঐ        ভর্তি  র্ফি-১০০/- টাকা    ঐ    ঐ
    মাশরুম চাষ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন প্রশিক্ষণ কোর্স ।    ০১ মাস        ঐ        ভর্তি  র্ফি-১০০/- টাকা    ঐ    ঐ
    সৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ কোর্স ।    ০১ মাস        ঐ        ভর্তি  র্ফি-১০০/- টাকা    ঐ    ঐ
    মোবাইল সার্ভিসিং এন্ড রিপিয়ারিং প্রশিক্ষণ কোর্স    ০১ মাস        ঐ        ভর্তি  র্ফি-১০০/- টাকা    ঐ    আবাসিক, বাস্তবায়নে উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ভবন, আশিকাটি, চাঁদপুর।
    সোয়াটার নিটিং প্রশিক্ষণ কোর্স ।    ০১ মাস        ঐ        নেই    ঐ    ঐ
    লিংকিং মেশিন অপারেটিং প্রশিক্ষণ কোর্স ।    ০১ মাস                ঐ    ঐ    ঐ
    ওভেন সিউইং মেশিন অপারেটিং প্রশিক্ষণ কোর্স ।    ০১ মাস                ঐ    ঐ    ঐ
    টুরিস্ট গাইড প্রশিক্ষণ কোর্স ।                    ঐ    ঐ    ঐ
    সংক্ষিপ্ত হাউজকিপিং প্রশিক্ষণ কোর্স ।                    ঐ    ঐ    ঐ

# আবেদনের সাথে সংযুক্ত কাগজপত্র ও প্রশিক্ষণার্থী বাছাই প্রক্রিয়া ঃ
      ১৮-৩৫ বছর বয়ষের সকল বেকার যুবক ও যুবমহিলাগণ ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য এবং প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয় । অফিস কর্তৃক নির্ধারিত আবেদন ফরম সংগ্রহকরণ পূর্বক তাহা নির্ভুলভাবে পূরণ করে আবেদনের সাথে সদ্য তোলা ০৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট ও ০১ কপি স্ট্যাম্প সাইজের ছবি, সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের ফটো কপি, স্থানীয়  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ইউপি সদস্য/পৌর মেয়র/কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব ও বেকারত্বের সনদপত্রের ফটো কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র/ জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটো কপি। সকল কাগজপত্রগুলো প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত করে উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ভবন, আশিকাটি, চাঁদপুর অথবা নিজ নিজ উপজেলার উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। নির্ভুল আবেদনপত্রগুলো হতে মৌখিক/লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই করা হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য উপ-পরিচালক/সংশ্লিষ্ট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করা হলো।

 

 

 

 

ঃ অ-প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর সময় ও নিয়মনীতি ঃ

ক্রমিক নং    প্রশিক্ষণ ট্রেডের নাম    প্রশিক্ষণের মেয়াদ    কোর্স শুরুর সময়    প্রশিক্ষণ প্রাপ্তির
নূন্যতম শিক্ষাগত
যোগ্যতা ও বয়ষ    প্রতি ব্যাচে
প্রশিক্ষণার্থীর
সংখ্যা    কোর্স ফি এর পরিমান    আবেদনপত্র গ্রহণের সময়     আবেদনপত্র  জমার  স্থান ও প্রশিক্ষণের ধরন
১    পারিবারিক হাঁস-মুরগী পালন    ১৫ দিন        ৫ম শ্রেণী পাস    কমপক্ষে ২০ জন            
২    ব্রয়লার ও ককরেল পালন    ঐ        ঐ    ঐ            
৩    বাড়ন্ত মুরগী পালন    ঐ        ঐ    ঐ            
৪    ছাগল পালন    ৭ দিন        ঐ    ঐ            
৫    গরু মোটাতাজাকরণ/ পারিবারিক গাভী পালন    ঐ        ঐ    ঐ            
৬    পশু-পাখির খাদ্য প্রস্তুত ও বাজারজাতকরণ    ঐ        ঐ    ঐ            
৭    পশু-পাখির রোগ ও তার প্রতিরোধ    ঐ        ঐ    ঐ            
৮    কবুতর পালন    ঐ        ঐ    ঐ            
৯    কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ    ঐ        ঐ    ঐ            
১০    মৎস্য চাষ/সম্বনিত মৎস্য চাষ/মৌসুমী মৎস্য চাষ/ মৎস্য পোনা চাষ (ধানী পোনা )/ মৎস্য হ্যাচারী/ প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষ/ গলদা ও বাগদা চিংড়ি চাষ    ঐ        ঐ    ঐ            
১১    শুটকী তৈরী ও সংরক্ষণ    ঐ        ঐ    ঐ            
১২    বসতবাড়িতে সবজি চাষ    ঐ        ঐ    ঐ            
১৩    নার্সারী/ ঔষধি গাছের চাষাবাদ/গাছের কলম তৈরী/ফুল চাষ/ ফলের চাষ, লেবু, কলা, পেঁপে ইত্যাদি।    ঐ        ঐ    ঐ            
১৪    কম্পোষ্ট সার তৈরী    ঐ        ঐ    ঐ            
১৫    মৌমাছী পালন    ঐ        ঐ    ঐ            
১৬    ব্লক প্রিন্টিং    ১০ দিন                        
১৭    বাটিক প্রিন্টিং    ঐ                        
১৮    পোশাক তৈরী    ৩০ দিন                        
১৯    স্ক্রীন প্রিন্টিং/স্পে প্রিন্টিং    ১৫ দিন                        
২০    মনিপুরী তাঁত শিল্প    ঐ                        
২১    কাগজের ব্যাগ ও ঠোঙ্গা তৈরী    ঐ                        
২২    নকশী কাঁথা তৈরী    ১০ দিন                        
২৩    পাটজাত পণ্য তৈরী    ঐ                        
২৪    কারু মোম তৈরী    ঐ                        
২৫    বাঁশ ও বেতের সামগ্রী তৈরী    ১৫ দিন                        
২৬    কাপর/চামড়াজাত পণ্য তৈরী    ঐ                        
২৭    চাইনিজ ও কনফেকশনারি    ঐ                        
২৮    রিক্সা, সাইকেল, ভ্যান মেরামত    ঐ                        
২৯    আচার-জ্যাম-জেলী প্রস্তুতকরণ    ঐ                        
৩০    কাঠের কাজ/লোহার কাজ/রাজ মিস্ত্রির কাজ    ঐ                        
৩২    ওয়েল্ডি    ২৮ দিন                        
৩৩    ইলেকট্রিক হাউজ ওয়্যারিং    ৩০ দিন                        
৩৪    টিভি/ভিসিআর/ভিসিপি/ভিসিডি মেরামত    ঐ                        
৩৫    ফটোগ্রাফি                            
৩৬    স্থানীয় চাহিদা ভিত্তিক যে কোন ট্রেড    ৭-৩০ দিন                        

# প্রশিক্ষণার্থী বাছাই প্রক্রিয়া ঃ
     ১৮-৩৫ বছর বয়ষের সকল বেকার যুবক ও যুবমহিলাগণ ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য এবং প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয় । অফিস কর্তৃক নির্ধারিত আবেদন ফরম সংগ্রহকরণ পূর্বক তাহা নির্ভুলভাবে পূরণ করে আবেদনের সাথে সদ্য তোলা ০৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট ও ০১ কপি স্ট্যাম্প সাইজের ছবি, সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের ফটো কপি, স্থানীয়  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ইউপি সদস্য/পৌর মেয়র/কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব ও বেকারত্বের সনদপত্রের ফটো কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র/ জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটো কপি। সকল কাগজপত্রগুলো প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত করে উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ভবন, আশিকাটি, চাঁদপুর অথবা নিজ নিজ উপজেলার উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। নির্ভুল আবেদনপত্রগুলো হতে মৌখিক/লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই করা হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য উপ-পরিচালক/সংশ্লিষ্ট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করা হলো।

 

 

 

 

 

ঃ  অন্যান্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর সময় ও নিয়মনীতি  ঃ

অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেশাগত মান উন্নয়ন এবং দক্ষতাবৃদ্ধির করণছাড়াও উপকারভোগীদের দক্ষ মানবম্পদে রুপান্তরের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার নিমিত্তে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকে, সেগুলো হলো নি¤œরুপ-

ক্রমিক নং    প্রশিক্ষণ কোর্সের  নাম    প্রশিক্ষণের মেয়াদ    প্রশিক্ষণার্থীর ধরণ    প্রতি ব্যাচে
প্রশিক্ষণার্থীর
সংখ্যা    আবেদনপত্র গ্রহণের সময়     প্রশিক্ষণের ও ধরন স্থান
১    পর্যটন ব্যবস্থাপনা ও ট্যুর গাইড বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ২ সপ্তাহ    যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও এ বিষয়ে আগ্রহী শিক্ষিত বেকার যুব।    ৫০ জন    সরকারি সিদ্ধন্ত অনুযায়ী, জেলা কার্যালয় হতে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই করে পাঠানো হয় ।    আবাসিক, শেখ হাসিনা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সাভার, ঢাকা।
২    হাউজকিংপিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ৪ সপ্তাহ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
৩    ফ্রন্ট ডেস্ক ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ০১ সপ্তাহ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
৪    যুব নেতৃত্ব বিকাশ ও যুব সংগঠন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ০২ সপ্তাহ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
৫    সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
৬    দ্বন্দ্ব নিরসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ০১ সপ্তাহ        ঐ    ঐ    ঐ
৭    যুব ও স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ        ঐ    ঐ    ঐ
৮    যুব কর্ম ও যুবদের ক্ষমতায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ        ঐ    ঐ    ঐ
৯    নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ        ঐ    ঐ    ঐ
১০    যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ        ঐ    ঐ    ঐ
১১    যুবদের আত্মকর্মসংস্থানমূলক পৃকল্প প্রণয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয় প্রশিক্ষণ কোর্স     ০২ সপ্তাহ            ঐ    ঐ
১২    খাদ্য ও ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং প্যাকেটজাতকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ০১ সপ্তাহ            ঐ    ঐ
১৩    মাশরুম চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ            ঐ    ঐ
১৪    কমিনিকেটিভ ইংলিশ লানিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ৪ সপ্তাহ    যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ১ম ও ২য় শ্রেণির কর্মকর্তাবৃন্দ।    ঐ    সরকারি সিদ্ধন্ত অনুযায়ী ।    ঐ
১৫    মৌলিক বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
১৬    বিউটিফিকেশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ০২ সপ্তাহ    যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও এ বিষয়ে আগ্রহী শিক্ষিত বেকার যুব।    ৩০ জন        বগুড়া আঞ্চলি যুব কেন্দ্র
১৭    ক্যাটারিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
১৮    ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
১৯    ওয়েল্ডিং এন্ড রড বাইন্ডিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স     ঐ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
২০    উদ্যোক্তা  উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
২২    অফিস ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ০৭ দিন    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ
২৩    ঋণ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ    ঐ

# আবেদনের সাথে সংযুক্ত কাগজপত্র ও প্রশিক্ষণার্থী বাছাই প্রক্রিয়া ঃ
      অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেশাগত মান উন্নয়ন এবং দক্ষতাবৃদ্ধির করণ ছাড়াও উপকারভোগীদের দক্ষ মানবম্পদে রুপান্তরের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার নিমিত্তে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকে, সেগুলো বিভিন্ন আঞ্চলিক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়, কেন্দ্রগুলো হলো- কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র সাভার ঢাকা,  শেখ হাসিনা জাতীয় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বগুড়া আঞ্চলিক যুব কেন্দ্র ইত্যাদি । অধিদপ্তরের নির্দেশক্রমে ৬৪ টি জেলার উপ-পরিচালগণ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার/যুব সংগঠনগুলো সাথে যোগাযোগ করে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই পূর্বক  কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য উপ-পরিচালক/সংশ্লিষ্ট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করা হলো।

২. প্রশিক্ষিত যুবদের আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচি

প্রশিক্ষণলব্দ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য প্রশিক্ষত যুবদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হয়। আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প গ্রহণ ও পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষত যুবদের যুবঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে  দুই ধরণের যুব ঋণ কর্মসূচী চালু রয়েছে । যথা ঃ
(১) গ্রুপভিত্তিক যুব ঋণ কর্মসূচি ।
(২) একক  যুব ঋণ কর্মসূচি ।
(১) গ্রুপভিত্তিক যুব ঋণ কর্মসূচি ঃ
    একর্মসূচির আওতায় বেকার যুবদের পরিবারিক গ্রুপে সংগঠিত করে ঋণ প্রদান করা হয়। প্রতি গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ০৫ জন। গ্রুপের প্রত্যেক সদস্যকে প্রাথমিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০,০০০/- টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয় এবং পর্যায়ক্রমে ২০,০০০/- টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হয়।
(২) একক যুব ঋণ কর্মসূচি ঃ
    এ কর্মসূচির আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি    ও অ-প্রাতিষ্ঠানিক কোর্সে প্রশিক্ষিত যুবদের একক যুব ঋণ প্রদান করা হয়। প্রত্যেক ঋণপ্রত্যাশীকে সর্বনি¤œ ৩০,০০০/- টাকা হতে সর্বোচ্চ ১,০০,০০০/- টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়।

 


 ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি 

এ কর্মসূচি সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত একটি কর্মসূচি । এই কর্মসূচি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উচ্চ মাধ্যমিক ও তদুর্ধ পর্যায়ের শিক্ষায় শিক্ষিত আগ্রহী বেকার যুবক/যুবমহিলাদের জাতি গঠনমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণর। ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষিত বেকার যুবক/যুবমহিলাদের দশটি সুনির্দিষ্ট মডিউলে তিন মাস মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদানের পর জাতি গঠনমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে অস্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। প্রশিক্ষণ চালাকালীন সময়ে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী দৈনিক ১০০/- টাকা হারে প্রশিক্ষণ ভাতা এবং প্রশিক্ষণোত্তর অস্থায়ী কর্মসংস্থানে নিয়োজিত হওয়ার র্প দৈনিক ২০০/- টাকা হারে কর্মভাতা প্রদান করা হয়। এবং কর্মভাতা হতে প্রত্যেক মাস শেষে ৪,০০০/- টাকা নগদ পায় এবং অবশিষ্ট ২,০০০/- টাকা সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে জমা থাকে যা অস্থায়ী কর্মের মেয়াদ পূর্তিতে ফেরত প্রদান করা হয়। যে সকল সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী কর্মসংস্থানে এদেরকে সংঘুক্তি করা হবে তাহলো- উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ স্টেশন, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, পৌরসভা, ইউপি পরিষদ, উজেলা হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্যাংক ও বিভিন্ন সেবামূলক সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে । তবে পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচি দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় সম্প্রসারণ করা হবে। চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলায় এ কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

# ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষিত বেকার যুবক/যুবমহিলাদের বাছাই প্রক্রিয়া ঃ
ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষিত বেকার যুবক/যুবমহিলাদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ, প্রত্যেকটি আবেদনপত্র যাচাই কমিটির মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেন । নির্ভুল আবেদনপত্রগুলো হতে প্রশিক্ষণে অন্তভূক্তির জন্য আবেদন পত্রের উপর জরীপ কাজ সম্পন্ন করা। এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাদেরকে প্রশিক্ষণের জন্য অন্তভূক্তি করে বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।
আবেদনের যোগ্যতা ঃ ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আবেদনের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক ও তদুর্ধ পর্যায়ের শিক্ষায় শিক্ষিত আগ্রহী বেকার যুবক/যুবমহিলাগণ যাদের  বয়ষ ২৪-৩৫ বৎসর এবং স্থায়ী বাসিন্দা। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য উপ-পরিচালক/সংশ্লিষ্ট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করা হলো।

 দারিদ্র্য বিমোচন ঋণ কর্মসূচি 

সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে বেকার যুবরা দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করে। তাদের নিজস্ব কোন সম্পদ ও কর্মসংস্থান না থাকোয় তাদের পক্ষে খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য শিক্ষার মত মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা সম্ভব হয় না । দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে এহেন মানবেতর অবস্থা নিরসন এবং বেকার যুবদের জন্য একটি সুখকর জীবনের ব্যবস্থা করা দারিদ্র্য বিমোচন ঋণ কর্মসূচির মূখ্য উদ্দেশ্য। চাঁদপুরে সকল উপজেলাতেই এ কার্যক্রম অব্যহত আছে।

বেকার যুবদের প্রশিক্ষণ দেয়ার পর প্রশিক্ষণলব্দ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। প্রশিক্ষত যুবদের যুবঋণ সহায়তা ও উদ্ধুদ্ধকরণের মাধ্যমে আত্মকর্মে নিয়োজিত করা হয়।  (১) যুব ঋণ কর্মসূচী ঃ যুব ঋণ কর্মসূচী দুই ধরনের যথা ঃ

(ক) পরিবারভিত্তিক কর্মসংস্থান কর্মসূচি।
(খ) যুব প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচি।
(ক) পরিবারভিত্তিক কর্মসংস্থান কর্মসূচি ঃ
পরিবারভিত্তিক ঋণ কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো পারিবারিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করে বেকার দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য স্ব-কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদান, এ কর্মসূচীর আওতায় পারিবারিক ঐতিহ্যগত পোশাকে কাজে লাগিয়ে বেকারত্ব নিরসন ও পারিবারিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য সমুন্নত রাখার কার্যক্রম সম্প্রসারণ, জীবন-যাপনের মান ধাপে ধাপে উন্নয়নকল্পে পরিবারের সঞ্চয় অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নারীর ক্ষমতায়ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য-পরিচর্যা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবেশ উন্নয়নে জনগোষ্ঠিকে উদ্বুদ্ধ করা।
     এ কর্মসূচীর আওতায় একই পরিবারের অথবা নিকট আত্মীয় বা প্রতিবেশী পরিবারের পরস্পরের প্রতি আস্থাভাজনদের নিয়ে ৫ সদস্যদের একটি গ্ররু গঠন করা হয় । একই গ্রামের স্থায়ী ৮ থেকে ১০টি গ্রুপ নিয়ে একটি কেন্দ্র গঠিত হয়। সাফল্যের ভিত্তিতে প্রতি সদস্যকে ১ম, ২য় ও ৩য় দফায় যতাক্রমে ১০০০০/-,  ১৫০০০/- ও ২০০০/-  টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়। ঋণ প্রদানের ১৪ দিন পর কিস্তি শুরু হয় অথ্যাৎ গ্রেস পিড়িয়ড ১৪ দিন। ৫০ সপ্তাহে ৫০ কিস্তিতে আসল আদায় হয় এবং ২ সপ্তাহে ২ কিস্তিত সার্ভিজ চার্জ নেয়া হয়, ১০% ক্রমহ্রাসমান পদ্ধিতিতে সরল হিসাবে সার্ভিস চার্জ নেয়া হয় ।
ঋণ প্রাপ্তির শর্তাবলী ঃ     
একই গ্রামের দরিদ্র ও বিত্তহীন এবং আগ্রাহী জনগণকে উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বরাবরে সাদা কগেজে যুগপত ভাবে আবেদন করতে হবে। * একই পরিবার অথবা আত্মীয় স্বজন নিয়ে একজনকে প্রধান করে ০৫ জনের গ্ররুপ করতে হয়  * সর্ব নিন্ম ০৫ এবং সর্বোচ্চ  ১০টি গ্ররুপ নিয়ে  ১ টি কেন্দ্র করতে হয়। কেন্দ্রে একজনকে প্রধান ও একজনকে কেন্দ্র  সচিব করতে হয়  * পরপর ৫ টি গ্ররুপ সভায় উপস্থিত থাকার পর গ্ররুপ ও কেন্দ্রের স্বীকৃতি দেয়া হয় * অতঃপর ৫-৭ দিনের ১টি প্রশিক্ষণ শেষে ঋণ দেয়া হয় । এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করা হলো।

(খ) যুব প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচী ঃ
       যুবদের দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং প্রশিক্ষণোত্তর আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধকরণ ও ঋণ সহায়তাদানের উদ্দেশ্যে এ কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। এ কর্মসূচীর আওতায় জেলার ৮টি উপজেলায় এর কার্যক্রম রয়েছে। বিভিন্ন  বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য এ কর্মসূচীর আওতায় জেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে । এছাড়া  স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন ট্রেডে স্বল্প মেয়াদী  প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য উপজেলা পর্যায়ে ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে ।
       এ কর্মসূচীর আওতায় প্রশিক্ষিত বেকার যুবদেরকে আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক/অ-প্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডে একক ঋণ প্রদান করা হয়। প্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডে একজন প্রশিক্ষত যুবককে ৫০,০০০/- হতে ১,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত এবং অ-প্রতিষ্ঠানিক ট্রেডে ২৫,০০০/- হতে ৫০,০০০/- টাকা  পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হয়, গ্রেস পিড়িয়ড ০৩ মাস, ৪র্থ মাস থেকে কিস্তি শুরু হয় এবং কিস্তির সংখ্যা ২৪ টি, এক জনকে পর পর তিনবার ঋণ দেয়া হয়, ১০% ক্রমহ্রাসমান পদ্ধিতিতে সরল হিসাবে সার্ভিস চার্জ নেয়া হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করা হলো।
# যুব ঋণ প্রাপ্তির শর্তাবলী ঃ
    যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে যে কোন বিষয়ে প্রমিক্ষণ সমাপ্ত করতঃ প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ শুরু করার পর ঋণের জন্য নিজ নিজ উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বরাবরে সাদা কগেজে আবেদন করতে হবে। কর্মকর্তা/ সিএস কর্তৃক পরিদর্শনের পর নির্বাচিত ফরম সরবারহ করা হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্প ছকসহ ফরম সঠিক ভাবে পূরন করে নিমোক্ত কাগজপত্রসহ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা  করতে হবে।
(১) আবেদনকারীর ছবি-০৩ কপি (২) নাগরিকত্ব সনদপত্র (৩) প্রশিক্ষণের সনদপত্র (৪) ৩০০/- টাকার ঝঃধসঢ়-এ পিতা/মাতা/ ভাই/আত্মীয়/অন্য যে কোন তৃতীয় ব্যক্তির নিশ্চয়তা পত্র (৫) নিশ্চয়তা প্রদানকারীর যে কোন জমির দলিলের মূল কপি ও খাজনা পরচার মূল কপি (প্রস্তাবিত ঋণের অধিক মূল্যের) (৬) নিশ্চয়তা প্রদানকারীর ছবি-০৩ কপি (৭) প্রকল্প স্থানের জমির মালিকানার স্বপক্ষে প্রমানপত্র (৮)  অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তির সনদপত্র  (৯)  সমস্ত কাগজপত্রসহ ০৩ সেট আবেদনপত্র  ।

 কর্মসংস্থানের ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদারকরণ কর্মসূচি 

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সম্প্রসারণ করে  কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে । স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিক স্বল্প মেয়াদি প্রশিক্ষণ কমৃসূচি যুবদের আত্মকর্মসংস্থান ও দারিদ্র বিমোচনের সহায়ক ভূমিকা পালন করায় বেকার যুবদের জন্য অধিক হারে প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করে প্রতি বছর প্রতিটি উপজেলায় ৪৪০ জন বেকার যুবক ও যুবমহিলাকে দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণের যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণার্থী বাছাই প্রক্রিয়া ঃ
     নূন্যতম ৫ম শ্রেণী পাস এবং ১৮-৩৫ বছর বয়ষের সকল বেকার যুবক ও যুবমহিলাগণ ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিক প্রশিক্ষণের মেয়াদ ০৭, ১৪ ও ২১ দিন । এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য উপ-পরিচালক/সংশ্লিষ্ট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করা হলো।

 বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উদ্ধুদ্ধকরণ ও সচেতনতাবৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি।

দক্ষতাবৃদ্ধি, দায়িত্বশীল ও আত্মবিশ্বাসী হওয়ার পাশাপাশি এ কর্মসূচির আওতায় বেকার যুবদেরকে মানবিক গুণাবলী অর্জনে উৎসাহ প্রদান এবং জীবন দক্ষতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করে তাদের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে । এ কার্যক্রমের আওয়াতায় যুবদেরকে নিম্ন লিখিত বিষয়ে উপর উদ্ভুদ্ধকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা উদ্যোগ গ্রহণ হয়-
পরিবেশ সংরক্ষন ও উন্নয়ন, প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা, নিরাপদ মাতৃত্ব, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টি উন্নয়ন, এইচআইভি এইডস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্ট, মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার রোধ ও নেশা মুক্ত সমাজ গঠন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, নৈতিক অবক্ষয় রোধ, মূল্যবোধ ও ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন, যুব নেতৃত্বের বিকাশ, অনৈতিক ও সমাজ বিরোধী কর্মকান্ড প্রতিরোধ, গণতন্ত্রায়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার, মানবিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ অক্ষুন্ন রাখা, জেন্ডার বৈষম্য দূরীকরণ তথা নারী ক্ষমতায়ন, বন্যপশু-পাখি সংরক্ষণ তথা অথিতি পাখী নিধন বন্ধ করা, সরকারী উদ্যোগকে সহায়তা করা, পরিকল্পিত পরিবার গঠন/জন বিষ্ফোরণ রোধ, বৃক্ষ রোপন তথা সামাজিক বনায়ন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য উৎসাহিত করা, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ, নারী নির্যাতন যৌতুক প্রথা ও বাল্য বিবাহ/বহু বিবাহ, নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ, আর্সেনিক মুক্ত পানি পান, য়োজনীয় ও প্রাথমিক আইন সচেতনতা সৃষ্টি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুঘটনায় সহযোগিতা করা, বিয়ে ও তালাক রেজিষ্ট্রি নিশ্চিতকরা, নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং অধিকার/মানবাধিকার সম্পর্কে ধারণা দেয়, স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার নিশ্চিত করণ, পোনা মাছ/ঝাটকা মাছ নিধন রোধ ও কারেন্ট জাল ব্যবহার বন্ধ করা, জৈব্য সার প্রস্তুত ও ব্যবহারে উদ্দ্যোগী করা, সকলকে স্বাক্ষর ও অক্ষর জ্ঞানদান এবং উপযুক্ত বয়েসে স্কুলে প্রেরণ নিশ্চিতকনণ, বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী র‌্যালী, আলোচনা সভা, সেমিনিার ও সিম্পোজিয়ামে  অংশগ্রহণ করা এবং গ্রুপ মিটিং, উঠান বৈঠকসহ অন্যান্য মাধ্যামে অংশ গ্রহণ করা এবং সর্বপরি ছাশ্রমের মনোভাব তৈরী।


 ইনোভেটিভ ম্যানেজমেন্ট অব রিসোর্সেস ফর পোভারটি এলিভিয়েশন থ্রু কম্প্রিহেনসিভ টেকনোলজি।
গবাদিপশু ও মুরগী পালন বিষয়ে আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প গ্রহণকারীদের প্রকল্পের উচ্ছ্বিষ্ট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে বায়গ্যাস উৎপাদন করে জ্বালানী চাহিদা পূরণ করা এ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। পরিবেশ বান্ধব এ পকল্পের আওতায় দেশের ৬১টি জেলার ৬২টি উপজেলায় জ্বালানী চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রকল্পে মেয়াদে ৩১০০০ বায়গ্যাস প্লান্ট তৈরী করা হবে। এ সকল বায়গ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের ফলে স্থানীয়ভাবে পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের বান্তবায়ন কাজ শুরু হয়েছে এবং চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায় এর কার্যক্রম রয়েছ। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য উপ-পরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, চাঁদপুর অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করা হলো।


 জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবসসহ বিভিন্ন  দিবস পালন কার্যক্রম।

# জাতীয় যুবদিবস পালন কার্যক্রম ঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১ নভেম্বও তারিখে জাতীয় যুবদিবস উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন । যে সকল প্রশিক্ষিত সফল যুবক ও যুবমহিলা আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প  স্থাপনে এবং যে সকল যুবসংগঠক সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে দৃষ্টান্তমূলক অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন তাদেরকে জাতীয় যুবদিবসে জাতীয় যুব পুরস্কার প্রদান করা হয়। চাঁদপুর জেলাদিন বিভিন্ন উপজেলা হতেও জাতীয় যুবদিবসে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে পূরষ্কৃত হয়েছেন।
# আন্তর্জাতিক যুবদিবস পালন কার্যক্রম ঃ
পতুগালের লিসবনে ১৯৯৮ সালের ৮-১২ আগষ্ট অনুষ্টিত বিশ্ব যুব মন্ত্রীদের কনফারেন্সে ১২ আগষ্টকে আন্তর্জাতিক যুবদিবস ঘোষনা করার জন্য জাতিসংঘরে নিকট সুপারিশ করা হয়। লিসবন কনফারেন্সের সুপারিশের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ সাধারন পরিষদ ৫৪/১২০ নং রেজ্যুলিউশনের মাধ্যমে ১২ আগষ্টকে “আন্তর্জাতিক যুবদিবস” হিসেবে ঘোষনা করে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য সকল সদস্য রাষ্ট্রকে অনুরোধ জানায়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করে থাকে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্ত চাঁদপুর এ দিবসে বিষেশ কর্মসূচী গ্রহণ করে দিবসটি উৎযাপন করে আসছে।
  যুব সংগঠন তালিকাভূক্তিকরণ ও অনুদান কর্মসূচি  

# যুব সংগঠন তালিকাভূক্তিকরণ কর্মসূচি ঃ
    যুব সংগঠনসমূহকে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণের মূল দায়িত্ব যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পালন কওে থাকে। যুব সংগঠনসমূহকে দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে আরো সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করানোর লক্ষ্যে অধিদপ্তর কর্তৃক এদেও তালিকাভুক্তির কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে। কোন যুব সংগঠন যুব উন্নয়নে তাদেও সয়গঠনকে তালিকাভুক্তি করাতে চাইলে নি¤œ লিখিত নিয়ম অনুসরন কওে তালিকাভুক্তি করাতে পারেন-
গঠনতন্ত্রের অন্তরর্ভূক্ত বিষয়সমূহ ঃ  
(ক) সংগঠনের পুরা  নাম ও ঠিকানা, কার্য এলাকা, লক্ষ ও উদ্দেশ্য (খ) নিন্মতম সদস্য/সদস্যার সংখ্যা , পদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা, চাঁদার হার এবং এর শ্রেণী বিভাগ (গ) সদস্য পদ বাতিল ও পুনুরুদ্ধারের বিধি (ঘ) বিভিন্ন প্রকারের কমিটি/পরিষদের প্রকারভেদ, গঠন প্রণালী ও কার্য সংক্রান্ত বিধি ও মেয়াদ, কমিটি/পরিষদের কর্মকর্তাদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী (ঙ) সভার শ্রেণীবিভাগ, সভা আহব্বান ও নোটিশের মেয়াদ এবং কোরাম, তলবী সভার বিস্তারিত বিবরন ও অনাস্থা প্রস্তাব (চ) নির্বাচনী কমিশন গঠন  এবং নির্বাচন পরিচালনা (ছ) আয়ের উৎস ও অর্থ খরচের বিধি, ব্যাংকের হিসাব পরিচালনা ও হিসাব পরীক্ষার বিবরণ (ছ) গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধনের বিবরন থাকিতে হইবে (জ) সংগঠন বিলুপ্তি সংক্রান্ত বিধি (ঝ) সরকারী/আধাসরকারী ও স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার এবং জাতীয় ভিক্তিক সংগঠনসমূহের সহিত শাখাগুলির প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক যোগসূত্র ।
৩। যাবতী সংযোযনী টাইপকৃত আকারে এবং প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত হইতে হইবে।
৪। উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কর্তৃক পরিদর্শনের পর যোগ্য সংগঠনের কাগজপত্র জেলার উপ-পরিচালকের বরাবরে প্রেরণ করবেন।
৫। অতঃপর জেলা থেকে আবেদনের কাগজপত্র যাচাই বাছাই অস্তে তালিকা ভূক্তির পত্র ও সনদপত্র দেয়া হয় ।
# যুব সংগঠনকে অনুদান কার্যক্রম ঃ  
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এ কর্মসূচীর আওতায় যুব সংগঠনসমূকে বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণের মূল দায়িত্ব যুব উন্নয়ন অধিপ্তর পালন করে থাকে। যুব সংগঠনসমূহকে দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে আরো সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করানোর লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, চাঁদপুর কর্তৃক এদের তালিকাভূক্তির কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে তাছাড়া যুব সংগঠনসমূকে কর্মসূচী  বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের । চাঁদপুরের বহু যুব সংগঠনকে এ কর্মসূচীর আওতায় অনুদান প্রদানকরা হয়েছে ।
# আত্মকর্মসংস্থানের সফলতার স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার কার্যক্রম ঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ডিসেম্বর মাসের যে কোন তারিখে জাতীয় যুবদিবস উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন সে অনুযায়ী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, চাঁদপুর অত্যন্ত জাক-জমকপূর্ণ ভাবে এ দিবসটি পালন করে আসছে। যে সকল প্রশিক্ষিত যুবক ও যুবমহিলা আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প স্থাপনে দৃষ্টান্তমূলক অবধান রাখতে সক্ষম হয়েছে তাদেরকে জাতীয় যুবদিবসে জাতীয় যুব পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাছাড়া জেলা পর্যায়েও সফল আত্মকর্মীকে সফলতার স্বীকৃতি স্বরুপ ক্যাস্টে ও সনদপত্র এবং যুব উন্নয়নে কর্মরত যুব কর্মীদেরকে কাজের ক্ষেত্রে বিষেশ অবদানের জন্য সফল যুব কর্মী হিসেবে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
# জেন্ডার ও প্রজনন স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম ঃ
    বাংলাদেশর জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতঃ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, বেকারত্ব দূরীকরণ ও পরিবেশ উন্নয়নে যাতে যুবরা অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে তার জন্য জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল এর আর্থিক সহায়তায় যুব সংগঠনের মাধ্যমে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রাম চালু করা হয়েছে।
# গবেষণা কার্যক্রম ঃ
যুব সমাজের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গবেষক/গবেষণা প্রতিষ্টানের মাধ্যমে যুব সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করা হয়। এর প্রধান লক্ষ্য কার্যক্রমের সাফল্য গভেষণার মাধ্যমে প্রকাশ করা এবং যুব বিষয়ক তথ্য বেকার যুবসহ দেশের সকল পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের নিকট প্রচারের ব্যবস্থা করা হয় ।
# সেমিনার, কর্মশালা, সিম্পোজিয়াম ও যুব সমাবেশ  ঃ  
      সেমিনার ঃ জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দিবস ও উপলক্ষ্যে যুব বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এই সেমিনার জেলা পর্যায়ে উপ-পরিচালকের তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়।
        কর্মশালা ঃ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত উপ-পরিচালকের ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন যুব সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে এসব কর্মশালা  অনুষ্ঠিত হয়।
      সিম্পোজিয়াম ঃ বিভিন্ন যুব উন্নয়ন মূলক বিষয় সমূহ আলোচনার জন্য প্রতি বৎসর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জেলা পর্যায়ের সিম্পোজিয়ামগুলো কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তার ব্যবস্থাপনায় যুব সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে এবং উপজেলা পর্যায়ে সিম্পোজিয়ামগুলো জেলার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়।
      যুব সমাবেশ  ঃ সারা জেলায় অসংখ্য প্রশিক্ষিত যুবক ও যুবমহিলা এবং যুব সংগঠণ বিক্ষিপ্তভাবে তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও সমন্বয়হীনতার অভাবে এসব প্রশিক্ষিত যুবক ও যুবমহিলা এবং যুব সংগঠন তাদের প্রতিভা ও দক্ষতার পূর্ণ বিকশ সাধনে ব্যর্থ হচ্ছে । এ সমস্যার আলোকে প্রশিক্ষিত যুবক ও যুবমহিলা এবং যুব সংগঠনের প্রতিনিধিকে নিয়ে জাতীয় যুবদিবসে যুব সবাবেশের আয়োজন করে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
# ক্রীড়া, সংস্কৃতিক কার্যক্রম ঃ
যুবদের মনন, প্রতিবা ও সৃষ্টিশীলতা লালন ও উন্নয়নের জন্য জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি জেলায় প্রতি বৎসর একটি ক্রীড়া ও সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা/অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত করার ব্যবস্থা রয়েছে । স্থানীয় যুব সমাজ ও যুব সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে জেলার তত্ত্বাবধানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তার ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচীগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter